প্রাচীন ভারতের ইতিহাস জিকে প্রশ্ন

131. তিয়োগারের “বিষ্ণু মন্দির”-কোথায় অবস্থিত?
(A) নাসিকে
(B) জব্বলপুরে
(C) দেওঘরে
(D) সারনাথে

Ans- (B) জব্বলপুরে (মধ্যপ্রদেশে)

132. “দশাবতার মন্দির”- কোথায় অবস্থিত?
(A) নাসিকে
(B) জব্বলপুরে
(C) দেওঘরে
(D) সারনাথে
Ans- (C) দেওঘরে

133. “সাঁচির মন্দির” কোথায় অবস্থিত?
(A) নাসিকে
(B) জব্বলপুরে
(C) দেওঘরে
(D) সাঁচিতে
Ans- (D) সাঁচিতে

134. “কোটেশ্বর মন্দির” – কোথায় অবস্থিত?
(A) ধামেকে
(B) কোটেশ্বরে
(C) রাজগিরর
(D) ভুমারে
Ans- (B) কোটেশ্বরে

135.অজন্তা, ইলোরা,উদয়গিরি আসলে কি?
(A) মন্দির
(B) গুহা মন্দির
(C) শিব মন্দির
(D) বৌদ্ধ ধর্মের পীঠস্থান
Ans- (B) গুহা মন্দির
(এগুলি সব গুপ্তযুগে তৈরি হয়েছিল)।

136. কোন যুগকে “হিন্দু বা ব্রাম্মন্য ধর্মের পুনরুত্থানের” যুগ বলা হয়?
(A) মৌর্য যুগকে
(B) গুপ্তযুগকে
(C) পালযুগকে
(B) মৌর্য পরবর্তী যুগকে
Ans- (B) গুপ্তযুগকে
(গুপ্তরাজাদের ব্রাম্মন্য ধর্মের বা হিন্দু ধর্মের প্রতি অনুরাগ ও পৃষ্টপোষকতা,ব্রাম্মন্য ধর্মের শৈব ও বৈষ্ণব শাখার বৈভব লক্ষ্য করে অনেকে গুপ্তযুগকে ব্রাম্মন্য বা হিন্দু ধর্মের “পুনর্জাগরণের” যুগ বলেছেন।কিন্তু গুপ্ত-পূর্ব যুগে ব্রাম্মন ধর্ম অবলুপ্তি হয়নি।গুপ্তযুগের আগেই শৈব-বৈষ্ণব ধর্মের উৎপত্তি,মূর্তিপূজা, ত্রয়ীকল্পনা, শক্তিপূজা প্রভৃতির সূচনা হয়।বরং গুপ্তযুগে প্রাচীন বৈদিক ব্রাম্মন ধর্ম নানা ভাবে পরিবর্তিত হয়,পূজার নতুন নিয়ম ও পদ্ধতি রচিত হয়।তাই অনেকে এই যুগকে (হিন্দু)ব্রাম্মন্য ধর্মের পুনর্গঠন বা পরিণতির যুগ বলেছেন)।

137. কোন গুপ্তরাজার সময়কাল “শান্তি ও সমৃদ্ধির যুগ'”- নামে পরিচিত?
(A) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের
(B) প্রথম চন্দ্রগুপ্তের
(C) প্রথম কুমারগুপ্তের
(D) সমুদ্রগুপ্তের
Ans- (C) প্রথম কুমারগুপ্তের

138. ঐতিহাসিক হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী কোন গুপ্ত সম্রাটকে “শ্রেষ্ঠ বীর”- বলে আখ্যায়িত করেছেন?
(A) সমুদ্রগুপ্তকে
(B) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তকে
(C) প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে
(D) স্কন্দগুপ্তকে
Ans- (D) স্কন্দগুপ্তকে
(পরমার্থের “আর্যমুঞ্জু শ্রীমূলকল্পে” স্কন্দগুপ্তকে “শ্রেষ্ঠ ন্যায়সম্পন্ন নিরপেক্ষ বিচারক” বলা হয়েছে)।

139. কোন গুপ্ত সম্রাট “গ্রহণ ও পরিমোক্ষ” নীতি নেন?
(A) সমুদ্রগুপ্ত
(B) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
(C) প্রথম কুমারগুপ্ত
(D) স্কন্দগুপ্ত
Ans- (A) সমুদ্রগুপ্ত
( দক্ষিণ ভারতে সমুদ্রগুপ্ত মোট 12 জন রাজাকে পরাজিত করেন ও বন্দী করে কর প্রদান ও আনুগত্যের শর্তে রাজ্য গুলি ফিরিয়ে দেন এটি “গ্রহন পরিমোক্ষ”- নীতি নামে পরিচিত।
** রাজধানী পাটলীপুত্র থেকে সুদূর দাক্ষিণাত্যে প্রত্যক্ষ শাসন নিয়ন্ত্রণ করার অসুবিধা,(সম্ভবতঃ দাক্ষিণাত্যের বিপুল সম্পদের আকাঙ্খা দাক্ষিণাত্যের রাজ্যগুলির সাথে পারস্পরিক বাণিজ্যিক যোগাযোগ প্রভৃতির কারণে সমুদ্রগুপ্ত দাক্ষিণাত্যে “গ্রহণ পরিমোক্ষ” বা গ্রহণ- মোক্ষ-অনুগ্রহ” নীতি নেন)।
** সমুদ্রগুপ্ত উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির সাথে “উনমূল্ল্য নীতি” নেন। উল্লেখ্য সমুদ্রগুপ্তের সভাকবি হরিষেনের “এলাহাবাদ প্রশস্তি”- থেকে জানা যায় সমুদ্রগুপ্ত উত্তর ভারতের মোট 9 জন রাজাকে পরাজিত করেন।
** সমুদ্রগুপ্ত উত্তর ভারতের রাজ্যগুলি জয় করে সরাসরি সাম্রাজ্যভুক্ত করে প্রত্যক্ষ শাসনাধীনে এনেছিলেন।তার এই নীতি “উনমূল্ল্য নীতি” নামে পরিচিত)।

140. গুপ্তযুগ কার আমলে শুরু হয়?
(A) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলে
(B) শ্রীগুপ্তের আমলে
(C) প্রথম চন্দ্রগুপ্তের আমলে
(D) সমুদ্রগুপ্তের আমলে
Ans- (C) প্রথম চন্দ্রগুপ্তের আমলে(319/320 খ্রিস্টাব্দে)।